২০২৩ সাল

ইউএইর অর্থনীতিতে ৯২ বিলিয়ন ডলারের অবদান এভিয়েশনের

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) অর্থনীতিতে ২০২৩ সালে ৯২ বিলিয়ন ডলার বা ৯ হাজার ২০০ কোটি ডলারের অবদান রেখেছে এভিয়েশন বা আকাশ পরিবহন খাত।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) অর্থনীতিতে ২০২৩ সালে ৯২ বিলিয়ন ডলার বা ৯ হাজার ২০০ কোটি ডলারের অবদান রেখেছে এভিয়েশন বা আকাশ পরিবহন খাত। এছাড়া ৯ লাখ ৯২ হাজার জনকে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ দিয়েছে খাতটি। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইএটিএ)। খবর অ্যারাবিয়ান বিজনেস।

গবেষণা অনুযায়ী, ওই বছর ইউএইর জিডিপিতে এভিয়েশন ও এভিয়েশন-সংশ্লিষ্ট পর্যটন খাতের হিস্যা ছিল ১৮ দশমিক ২ শতাংশ। এছাড়া দেশটি ১০ লাখ টনের বেশি এয়ার কার্গো পরিচালনা করেছে।

২০২৩ সালে ইউএইর উড়োজাহাজ সংস্থায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন ৭৪ হাজার ৫০০ কর্মী। অন্যান্য এভিয়েশন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৩০০ ব্যক্তি। এভিয়েশন-সম্পৃক্ত পর্যটনে যুক্ত ছিলেন ২ লাখ ৯৭ হাজার ৩০০ জন। সরবরাহ চেইন ও পর্যটনসহ সব মিলিয়ে এভিয়েশন খাতে মোট কর্মসংস্থান হয়েছিল প্রায় ১০ লাখ।

এ প্রসঙ্গে আইএটিএ মহাপরিচালক উইলি ওয়ালশ বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত বৈশ্বিক যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে। দেশটি এভিয়েশন খাতে কৌশলগত পরিকল্পনা ও আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তুলেছে, যা অর্থনীতিতে বিশাল অবদান রাখছে।’

তিনি জানান, ইউএই এখন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিশেষ অগ্রগতি করছে। এগুলো হলো টেকসই জ্বালানি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি।

এভিয়েশন খাতে টেকসই ভবিষ্যতের লক্ষ্যে এরই মধ্যে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে আরব আমিরাত। ২০৩০ সালের মধ্যে বার্ষিক ৭০ কোটি লিটার সাসটেইনেবল এভিয়েশন ফুয়েল (এসএএফ) উৎপাদন নিয়ে কাজ করছে দেশটি। পরিবেশবান্ধব এভিয়েশনে বিনিয়োগ বাড়ানোসহ আল মাকতুম ও জায়েদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নয়ন বাস্তবায়ন হচ্ছে। এছাড়া আবুধাবিতে নতুন আইএটিএ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু হচ্ছে, যা এভিয়েশন খাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে সহায়ক হবে।

আরও